শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম ২০২৪

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম জানুন এখান থেকে। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়।

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য ৩৪৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয়। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে।

বিআরটিএ এর ওয়েবসাইটে গিয়ে লার্নারে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন ফরম পূরণ করে নির্দিষ্ট গেটওয়েতে ফি পরিশোধ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হয়।

আবেদন করার পরে প্রার্থীকে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এরপর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তাকে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

বর্তমানে মোটরসাইকেল সহ যেকোনো ধরনের মোটর যানবাহনের ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে। ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমায় ফেঁসে যেতে হয়।

এতে জরিমানাও প্রদান করতে হয় এবং সাথে জেলও হয়ে যেতে পারে। এ সকল সমস্যা থেকে বেঁচে থাকার জন্য এবং নির্ভেজাল ভাবে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং করার জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়ে নিতে হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত তিন প্রকার হয়ে থাকে। প্রথমত লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স, দ্বিতীয়তঃ স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স, এবং তৃতীয়ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স হচ্ছে এনআইডি কার্ডের মত একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি।

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে প্রার্থীকে অবশ্যই লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে গেলে পরবর্তীতে প্রার্থী স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এজন্য লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স হচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রাথমিক ধাপ।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

আপনি যদি লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে চান তাহলে এটি আপনি দুই পদ্ধতিতে করতে পারবেন।

একটি হচ্ছে সরাসরি বিআরটিএ এর অফিসে গিয়ে একটি ফরম পূরণ করে আবেদন করতে পারবেন। অন্যটি হচ্ছে আপনি বাসায় বসে অনলাইনেও করতে পারবেন বিআরটিএ এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে।

তবে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের পূর্বে আপনার কিছু আবেদনের শর্ত জেনে নেওয়া জরুরী। এর সাথে আপনার কিছু ডকুমেন্টস প্রয়োজন হবে।

এসব কিছু সংগ্রহ করে তারপরেই আপনি লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে পারবেন। নিচে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের পূর্ব শর্ত

বিআরটিএ কর্তৃক লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদনের কিছু পূর্ব শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এ সকল শর্তগুলো যদি কারো মধ্যে পাওয়া না যায় তাহলে সে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করতে পারবে না।

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদনের জন্য যে সকলে শর্তগুলো প্রয়োজন হবে সেগুলো হচ্ছে-

  • প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
  • কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স্ক হতে হবে।
  • নূন্যতম অষ্টম শ্রেণীর পাস হতে হবে।
  • শারীরিকভাবে ফিট এবং সুস্থ থাকতে হবে।
  • এনআইডি কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকতে হবে।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন আপনি অনলাইনে বা অফলাইনে যেখানেই করুন না কেন আপনার কিছু ডকুমেন্টস অবশ্যই থাকতে হবে। সে সকল ডকুমেন্টস গুলো নিচে পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলো-

  • আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
  • রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি
  • পূর্বের যদি কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে থাকে তাহলে সেই ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ফটোকপি

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া

পূর্বেই বলেছি লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন দুইভাবে করা যায়। একটি বিআরটিএ এর অফিসে গিয়ে, আরেকটি হচ্ছে অনলাইনে।

বিআরটিএ এর অফিসে গিয়ে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য তাদেরকে জানিয়ে দিলেই তারা আপনাকে যে নির্দেশনা দিবে সেটি অনুসরণ করবেন।

তাহলে আপনার আবেদন সম্পন্ন হবে। এখন আমরা জানবো অনলাইনে কিভাবে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করতে হয়। চলুন দেখে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

  • লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য প্রথমে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল ওয়েব সাইটে প্রবেশ করুন।
  • এখানে প্রবেশ করার পর মেনু বার হতে “নিবন্ধন” বাটনে ক্লিক করুন। কারণ আবেদনের পূর্বে অবশ্যই আপনার একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে যেটি রেজিস্টার করে নিতে হবে।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

  • এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আপনার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
  • এখানে আপনার “মোবাইল নাম্বার” এবং “ইমেইল” প্রদান করতে হবে। সাথে “এনআইডি” কার্ডের নাম্বার টি দিতে হবে।

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

  • পরবর্তীতে আপনার ইমেইল অথবা মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন করা হবে।
  • মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন করলে আপনার মোবাইলে একটি কোড চলে যাবে। সেটি এখানে পরবর্তী পেইজে বসিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। আর যদি ইমেইলের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয় তাহলে আপনার ইমেইলে ঢুকে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করলে এটি ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।
  • এরপর আপনার পছন্দমত একটি “পাসওয়ার্ড” দিতে হবে।
  • পাসওয়ার্ড রি-টাইপের ঘরে পুনরায় আপনার পাসওয়ার্ডটি দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
  • এরপর আপনার মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে “লগইন” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এখানে আপনি একটি ড্যাশবোর্ড পাবেন।
  • এই ড্যাশবোর্ডের বাম পাশে বেশ কিছু মেনু চলে আসবে।
  • এই মেনু হতে “ড্রাইভিং লাইসেন্স” এ ক্লিক করতে হবে।
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ক্লিক করার পর এখানে কিছু ট্যাব চলে আসবে।
  • এখানে “শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করুন” এই বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে।
  • এখানে কিছু নির্দেশনা দেওয়া থাকবে, সেই সকল নির্দেশনা গুলো ভালো করে পড়ে নিবেন।
  • এখানে কিছু ডকুমেন্টস এর কথা উল্লেখ করে থাকবে এ সকল ডকুমেন্টগুলো যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে “সম্মত” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এরপর লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য একটি ফর্ম চলে আসবে।
  • এই ফর্মটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
  • আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে মোটরবাইক ড্রাইভিং করতে চান তাহলে এখানে “অপেশাদার” সিলেক্ট করে দিবেন।
  • এরপর আপনার স্ক্যান করা ছবি আপলোড করে দিবেন।
  • এনআইডি সেকশনে আপনার “জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর” দিবেন এবং “জন্ম তারিখ” দিয়ে “অনুসন্ধান” বাটনে ক্লিক করবেন।
  • তাহলে আপনার সমস্ত তথ্যগুলো এখানে শো করবে।
  • এরপর ইংরেজিতে পিতা মাতার নাম, লিঙ্গ, স্বামী/স্ত্রীর নাম (যদি থাকে), পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বৈবাহিক অবস্থা সহ যাবতীয় যে সকল তথ্যগুলো দিতে বলবে সমস্ত তথ্য গুলো খুব ভালো ভাবে পূরণ করবেন।
  • এরপরের সেকশন “মোটরসাইকেলের ধরন” সিলেক্ট করতে হবে।
  • এখানে আপনি যদি হালকা মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন তাহলে এখানে লাইট সিলেক্ট করে দিতে হবে। আর যদি ভারী মোটরযান ব্যবহার করেন তাহলে হেভি সিলেক্ট করে দিতে হবে।
  • এগুলো করার পর আপনাকে “সংযুক্তি” সেকশনে আসতে হবে।
  • এখানে যে সকল ডকুমেন্টগুলো চাওয়া হবে ডকুমেন্টস অনুসারে সেগুলো স্ক্যান করে এখানে আপলোড করে দিতে হবে।
  • এরপর “সংরক্ষণ” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এর পরবর্তী পর্যায়ে আপনাকে অনলাইনে ফি জমা দিতে হবে।
  • “ফি জমা দিন” বাটনে ক্লিক করলে আপনার আবেদনের একটি প্রিভিউ পেইজ দেখা যাবে এবং কত টাকা ফি প্রদান করতে হবে সেটি শো করবে।
  • অনলাইনে ফি জমা দিতে হলে ফি জমা বাটনে ক্লিক করুন। এখানে যে কয়েকটি ব্যাংকে আপনি ফি জমা দিতে পারবেন সেই সকল ব্যাংকগুলো শো করবে।
  • আপনি যদি বিকাশ বা নগদ একাউন্টের মাধ্যমে দেন তাহলে এখানে সেটি সিলেক্ট করে Terms and Condition লেখার পাশে এটি নিশ্চিত করুন এবং বিকাশ গেটওয়ে থেকে পেমেন্ট করুন।
  • বিকাশে পেমেন্ট করতে হলে এখানে আপনার বিকাশ নাম্বার দিতে হবে।
  • বিকাশ নাম্বার দেওয়ার পর আপনার মোবাইলে একটি অটিপি চলে যাবে সেটি এখানে বসিয়ে দিতে হবে।
  • এর পরবর্তী পর্যায়ে আপনার পিন নাম্বার দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে।
  • পেমেন্ট সম্পন্ন হয়ে গেলে পেমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে লেখা ভেসে উঠবে।
  • পেমেন্ট সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনার আবেদনটি সম্পন্ন হয়ে যাবে।
  • পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী পেজে মানি রিসিপ্ট এর একটি অপশন পাবেন।
  • এখান থেকে মানি রিসিপ্টটি ডাউনলোড করে নিবেন এবং পরবর্তীতে প্রিন্ট করে নিবেন।
  • সবকিছু করা হয়ে গেলে আপনার আবেদন পত্রটি অবশ্যই ডাউনলোড করে নিবেন।
  • ডাউনলোড করার পর এটি যে কোথাও থেকে প্রিন্ট করে নিবেন।
  • ব্যাস! আপনার আবেদন সম্পন্ন হয়ে গেল।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স অ্যাপ্লিকেশন ফি

অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অ্যাপ্লিকেশন ফি কত টাকা প্রযোজ্য হবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের জন্য ৩৫০ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে।

তবে নগদ অথবা বিকাশ একাউন্ট অথবা অন্য কোন যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করার জন্য এর সাথে আপনার চার্জ প্রযোজ্য হবে। সেই চার্জ সহ আপনাকে পরিশোধ করতে হবে।

আপনি যখন অনলাইনে আবেদন করবেন সেই অপশন থেকেই আপনি ফি পেমেন্ট করতে পারবেন যেটি উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স কবে পাবেন?

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করা হলো, এপ্লিকেশন ফি পেমেন্ট করা হলো, কিন্তু এখন লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আপনি কবে পাবেন সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। সাধারণত আবেদন করার কিছুদিন পরে আপনাকে একটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এই পরীক্ষাটি লিখিত এবং ব্যবহারিক দুটিই হবে।

লিখিত পরীক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা দুটিতেই আপনাকে উত্তীর্ণ হতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তীতে আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হবে। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেলে আপনি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কত সেটি অনেকেরই প্রশ্ন। সাধারণত লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ তিন মাস হয়ে থাকে। তিন মাস পরে এটির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

তবে এই তিন মাসের মধ্যেই আপনাকে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেলেই আপনি পরিপূর্ণ একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের মালিক হয়ে যাবেন।

আরও পড়তে পারেন- ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে করণীয়

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে তথ্য যাচাই বাছাই করে সঠিকভাবে এখানে সবকিছু তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আপনি চাইলে উপরোক্ত পদ্ধতিতে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে পারবেন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানার থাকলে সেটি আমাদেরকে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানিয়ে দিতে পারেন। আমাদের টিম আপনাকে যথাসম্ভব উত্তর দেওয়ার জন্য চেষ্টা করবে।

শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম ২০২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top