অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম ২০২৪: TIN Certificate Registration Online

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আপনাকে কোন অফিসে বা অন্য কোথাও যেতে হবে না। ঘরে বসেই আপনি একটি স্মার্ট ফোন অথবা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

তবে এর জন্য আপনাকে পূর্বেই কিছু ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

সেগুলো হচ্ছে এনআইডি কার্ড, জন্ম নিবন্ধন সনদ, একটি মোবাইল নাম্বার, একটি ইমেইল আইডি এবং এরকম আরো কিছু ডকুমেন্টস যেগুলো আপনার টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে এই ডকুমেন্টগুলো থেকে তথ্য প্রদান করতে হবে।

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন

টিন সার্টিফিকেট হচ্ছে এমন একটি সার্টিফিকেট যার মাধ্যমে একটি দেশের নাগরিক তার নির্দিষ্ট ইনকামের ওপর কর প্রদান করে।

একজন নাগরিকের ইনকাম সমূহ বৈধ স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য এই ১২ ডিজিটের ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার অর্থাৎ টিন সার্টিফিকেট এর রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হয়।

টিন সার্টিফিকেট

যদি কোন ব্যক্তির নির্দিষ্ট আয়ের উৎস থাকা সত্ত্বেও সেই ব্যক্তি টিন রেজিস্ট্রেশন না করে তাহলে সেই ব্যক্তির উপর বিভিন্ন ক্ষেত্রে মামলা এবং জরিমানা দায়ের করা হয়। টিন সার্টিফিকেট থাকার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার ইনকামের ওপর একটি বৈধতার স্বীকৃতি পায়।

তবে টিন সার্টিফিকেট থাকলে যে কর দিতেই হবে বিষয়টা এমন নয়। টিন সার্টিফিকেট থাকার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট ইনকামের উপর যদি কর প্রযোজ্য হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে তাকে কর দিতে হবে অন্যথায় তাকে শুধুমাত্র ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন করলেই হয়ে যাবে।

টিন সার্টিফিকেট কেন দরকার?

একটি দেশের নাগরিক হিসেবে সবার টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন। টিন সার্টিফিকেট থাকার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি যতগুলো উৎস হতে ইনকাম করবেন সে সকল উৎস সহ তার সমস্ত ইনকাম সরকার কর্তৃক বৈধতা স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

  • যদি কোন ব্যক্তি তার নির্দিষ্ট ইনকামের ওপর টিন সার্টিফিকেট দেখাতে না পারেন তাহলে সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন মামলা এবং জরিমানায় জড়িয়ে পড়তে হয়।
  • এছাড়াও আমাদের দৈনন্দিন অনেক প্রয়োজন যেমন যদি আমরা কোন ব্যবসা শুরু করতে চাই সে ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স সার্টিফিকেট নেওয়া উচিত। আর এই ট্রেড লাইসেন্স সার্টিফিকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই টিন সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হবে।
  • যদি আমরা কোন গাড়ি কিনতে চাই তাহলে সে গাড়ির মালিক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়ে থাকে।
  • অন্যদিকে আপনি যদি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বা এরকম কোন ভারী এলাকার জমি ক্রয় করতে চান তাহলে জমির দলিল করার ক্ষেত্রেও আপনাকে টিন সার্টিফিকেট শো করাতে হবে।
  • টিআইএন সার্টিফিকেট থাকার আরো কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন আপনি যদি ডিপিএস বা কোন সঞ্চয়পত্রে আপনার ইনকাম থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সঞ্চয় করেন তাহলে সেই মোট সঞ্চয়ের উপর ১৫% ট্যাক্স আদায় করা হয়।
  • তবে আপনার যদি টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে আপনি যে পরিমাণ সঞ্চয় করেছেন সেখান থেকে ৫% মাইনাস করে অর্থাৎ আপনার মোট ১০% ট্যাক্স কর্তন করা হবে।

এসব কারণগুলো বিবেচনা করে টিন সার্টিফিকেট প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া জরুরী।

অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম: TIN Certificate Registration Online Bangladesh

এতক্ষণ তো জানলাম টিন সার্টিফিকেট কি এবং টিন সার্টিফিকেট আমাদের কেন প্রয়োজন। এ পর্যায়ে আমরা জানবো কিভাবে অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করা যায় এবং সেটিং ডাউনলোড করে নেওয়া যায়।

চলুন টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া জেনে নিই।

প্রথম ধাপ- টিন সার্টিফিকেট লগইন

অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট করার জন্য আপনাকে প্রথমেই এনবিআর এর ওয়েবসাইট থেকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর টিন সার্টিফিকেট তৈরীর জন্য লগইন করে নিতে হবে।

এখান থেকে আপনি টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন এর ক্ষেত্রে বা এরকম আরো কোনো তথ্য বা সেবা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এই অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতে পারবেন।

  • অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নেওয়ার জন্য প্রথমেই ন্যাশনাল বোর্ড অব রিভিনিউ ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করুন।
  • এখানে প্রবেশ করার পর ড্যাশবোর্ড হতে “Register” বাটনে ক্লিক করতে হবে।

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন: TIN Certificate Registration Online

  • রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করার পর এখানে কিছু তথ্য দেওয়ার অপশন চলে আসবে।

TIN Certificate Registration Online Bangladesh

  • এখানে প্রথমেই আপনাকে যেটি করতে হবে সেটি হচ্ছে একটি “ইউজার আইডি” প্রদান করতে হবে।
  • ইউজার আইডি বিভিন্ন লেটার এবং সংখ্যার সংমিশ্রণে হতে পারে। তবে এখানে বা কোন স্পেস দেয়া যাবে না।
  • ইউজার আইডি প্রদান করা হয়ে গেলে একটি “পাসওয়ার্ড” সেট আপ করে নিন। আপনার মনের মত একটি পাসওয়ার্ড দিন তবে সেটি 8 ডিজিটের মধ্যেই হতে হবে।
  • পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর এই পাসওয়ার্ডটি কোথাও লিখে রাখুন। এটি পরবর্তীতে আপনার প্রয়োজন হবে।
  • পাসওয়ার্ডটি দেওয়ার পর নিচে “Retype Password” ঘরে আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ডটি প্রদান করুন।
  • এরপর নিচে দেখবেন একটি কোশ্চেন দেওয়ার অপশন রয়েছে। এটি হচ্ছে একটি সিকিউরিটি কোশ্চেন। আপনি আপনার পছন্দমত একটি প্রশ্ন তৈরি করতে পারেন। সেটি এখানে লিখে দিতে পারেন এবং সেই প্রশ্নটির উত্তর আপনি নিজে নিজেই দিতে পারেন উত্তরের ঘরে।
  • তবে এই প্রশ্নটি এবং উত্তরটি আপনার অবশ্যই মনে রাখতে হবে। যদি কখনো আপনি পাসওয়ার্ড ভুলে যান বা ইউজারনেম ভুলে যান সে ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি প্রদান করে সেই সাথে উত্তরটি প্রদান করতে হবে। তাহলে ইউজার আইডি অথবা পাসওয়ার্ড ফিরে পাবেন।
  • এরপর Country হিসেবে বাংলাদেশ সিলেক্ট করতে হবে।
  • এরপর নিচে একটি ইমেইল এড্রেস দেওয়ার অপশন রয়েছে। আপনার যদি কোন ইমেইল এড্রেস থাকে তাহলে এখানে সেটি প্রদান করুন। না থাকলে দিতে হবে না। তবে ইমেইল এড্রেস দেওয়া থাকলে আপনি ইমেইলে থেকে বিভিন্ন তথ্য পাবেন।
  • এরপর সবশেষে “Captcha” টি উত্তর বক্সে বসিয়ে দিয়ে “Register” বাটনে ক্লিক করুন।
  • রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করলে পরবর্তী পেজে মোবাইল নাম্বার দেওয়ার অপশন আসবে।
  • এখানে মোবাইল নাম্বার দিয়ে “Verify” বাটনে ক্লিক করলে মোবাইলে একটি কোড চলে যাবে। এই কোডটি এখানে বসিয়ে দিয়ে মোবাইল নাম্বারটি ভেরিফিকেশন করতে হবে।

মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় ধাপ- টিন সার্টিফিকেট আবেদন

অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়ে গেলে আপনাকে এবার দ্বিতীয় ধাপে আসতে হবে। এভাবে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বিভিন্ন ডকুমেন্টস দেখে দেখে কিছু তথ্য প্রদান করতে হবে।

চলুন এই তথ্যগুলো প্রদান করার নিয়ম টা দেখে নিই।

  • অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেলে সেই একাউন্টের User ID এবং Password দিয়ে “Login” বাটনে প্রেস করে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন।

TIN Certificate Registration Bangladesh

  • অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করার পর একটি ড্যাশবোর্ডের মতো পেজ দেখতে পাবেন।
  • এখান থেকে বাম পাশে আপনি কিছু অপশন পাবেন সেখান থেকে “TIN Application” অপশনে চলে যান।

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

  • এখানে যাওয়ার পর টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনাকে সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করতে হবে।
  • এখানে প্রথম অপশন টেক্সপেয়ার রয়েছে। এখানে “Individual Bangladeshi” সিলেক্ট করুন। আপনি যদি বাংলাদেশি না হন তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার ক্ষেত্র অনুযায়ী অপশন বাছাই করুন।

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

  • এরপর রেজিস্ট্রেশনের ধরন অপশনে “Having NID” অপশন সিলেক্ট করুন। তবে আপনার যদি এখনো কোনো এনআইডি থেকে না থাকে তাহলে এখানে সেকেন্ড অপশনটি অর্থাৎ “Minor Dependent” বাছাই করতে হবে।
  • নিচে “Main Source of Income” অপশনে আপনার আয়ের উৎস হিসেবে যেটি রয়েছে সেটি সিলেক্ট করে দিতে হবে।
  • আপনি যদি চাকরিজীবী হন সেক্ষেত্রে সার্ভিস অপশনটি বাছাই করতে হবে। অন্যান্য প্রফেশনের হলে তাহলে প্রফেশন সিলেক্ট করতে হবে। তবে আপনি যদি ব্যবসায়ী হন তাহলে এখানে বিজনেস সিলেক্ট করে দিতে হবে।
  • এরপর মেইন সোর্স অফ ইনকামের ঘরে আপনার আয়ের উৎস হিসেবে “Location” বাছাই করে দিতে হবে।
  • এরপর নিজের “Business Type” অপশনে আপনার প্রফেশন বা ব্যবসা হিসেবে বিজনেস টাইপ সিলেক্ট করে দিন। এখানে যদি আপনার বিজনেস টাইপ খুঁজে না পান তাহলে এখানে আপনার বিজনেসের লোকেশন দিয়ে দিতে পারেন।
  • এই তথ্যগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে ভালোভাবে একবার চেক করুন সমস্ত তথ্য ঠিক আছে কিনা।
  • তথ্যগুলো ঠিক থাকলে “Go to Next” বাটনে ক্লিক করুন।

এরপর আবার আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সেটা হচ্ছে আপনার ব্যক্তিগত মৌলিক তথ্যের ফর্ম।

  • এই ফর্মের প্রথম অপশন “Taxpayer’s Name” হিসেবে আপনার নাম লিখতে হবে যদি আপনি নিজেই এই টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করতে চান।

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

  • এরপর নিচে যে অপশনগুলো রয়েছে সেই অপশন গুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  • আপনার এনআইডি কার্ড এবং জন্ম তারিখ দেখে সঠিকভাবে অপশন গুলো পূরণ করতে হবে।
  • এরপর বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানার ঘরে আপনার এনআইডি কার্ড দেখে ঠিকানা লিখুন।
  • আপনার যদি বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা একই হয় তাহলে এখানে একটি ছোট্ট বক্স দেখতে পাচ্ছেন সেটিতে টিক মার্ক দিন।

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

  • এই তথ্যগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে একবার চেক করে তারপর “Submit Application” বাটনে ক্লিক করুন।

এরপর আপনি আপনার দেওয়া তথ্য গুলো একটি পেজ আকারে দেখতে পাবেন। এখান থেকে সমস্ত তথ্য গুলো আবার একবার চেক করে নিন কোথাও ভুল হয়েছে কিনা।

যদি সবগুলো তথ্য দেওয়া ঠিক থাকে তাহলে সাবমিট অ্যাপ্লিকেশন বাটন প্রেস করে আপনার টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।

তৃতীয় ধাপঃ টিন সার্টিফিকেট চেক

এতক্ষণ ধরে যে আপনি টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করলেন। এখন কথা হচ্ছে এখন এই টিন সার্টিফিকেট আপনি কোথায় পাবেন?

আসলে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার পর এটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হওয়ার জন্য কিছু সময় নিতে পারে। এরপর এটি হয়ে গেলে আপনার ইমেইল এড্রেস এ টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কিছু তথ্য পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

তবে আপনি এই পেজ থেকেও আপনার টিন সার্টিফিকেটটি চেক করতে পারবেন। আপনার টিন সার্টিফিকেটটি হয়ে গেছে কিনা বা এটি এখন কোন অবস্থায় আছে সেটি আপনি চেক করতে পারবেন।

  • এটি করতে হলে বাম পাশের ড্যাশবোর্ড হতে “View TIN Certificate” যে অপশনটি দেখতে পাচ্ছেন এই অপশনটিতে ক্লিক করলেই আপনার টিন সার্টিফিকেটটি শো করবে যদি আপনার টিন সার্টিফিকেট টি কমপ্লিট হয়ে থাকে।
  • তাহলে এখানে সেটি সার্টিফিকেট আকারে শো করবে। তবে যদি টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশনের পর এটি কোন অবস্থায় আছে, সম্পন্ন হয়েছে কিনা সেটি চেক করার জন্য “View Request Status” বাটনে ক্লিক করে দেখতে হবে।

ডাউনলোড

টিন সার্টিফিকেট এর আবেদন এপ্রুভ করা হয়ে গেলে খুব সহজেই টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এজন ভিজিট করুন অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার নিয়ম

টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করা হয়ে গেলে আপনার সমস্ত ইনকামগুলো বৈধতার স্বীকৃতি পেয়ে যাবে। এখন প্রতি বছরে আপনার কাজ হচ্ছে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন সম্পন্ন করা।

যদি আপনার আয় ইনকাম ট্যাক্সের জন্য প্রযোজ্য হয় সে ক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট হারে ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করতে হবে।

তবে ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করার মত ইনকাম যদি আপনি করে না থাকেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে না কিন্তু প্রতি মাসে অনলাইনে জিরো ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল জমা করতে হবে।

টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)

টিন সার্টিফিকেট সংক্রান্ত এখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সেগুলোর উত্তর প্রদান করা হলো।

টিন সার্টিফিকেট কি?

উত্তর: টিন সার্টিফিকেট হলো এমন একটি সার্টিফিকেট, যার মাধ্যমে একটি দেশের নাগরিক তার নির্দিষ্ট ইনকামের ওপর কর প্রদান করে।

কোন সেক্টরে টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন?

উত্তর: টিন সার্টিফিকেট প্রায় সব সেক্টরে প্রয়োজন, যেমন আপনি যদি ব্যবসা শুরু করতে চান, গাড়ি কিনতে চান, জমি ক্রয় করতে চান, এবং আরও অনেক সেবা এবং মৌলিক কাজে টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন।

টিন সার্টিফিকেট কেন জরুরী?

উত্তর: টিন সার্টিফিকেট থাকা নাগরিকের উপর একটি ইনকামের উপর কর প্রদানের জন্য প্রয়োজন। আরও এটি অনেক অন্যান্য কাজেও প্রয়োজন, সেইসাথে এটি সঞ্চয়ের উপর আদায়কৃত ১৫% ট্যাক্সের সুবিধাও দেয়।

টিন সার্টিফিকেট অনলাইনে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়?

উত্তর: টিন সার্টিফিকেট অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে, আপনাকে ন্যাশনাল বোর্ড অব রিভিনিউ এর ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগইন করতে হবে। এরপর টিন সার্টিফিকেট তৈরীর জন্য আবশ্যক তথ্য প্রদান করতে হবে।

টিন সার্টিফিকেট নিয়ে যে সুবিধাগুলি রয়েছে, সেগুলি কি?

উত্তর: টিন সার্টিফিকেট নিয়ে যে সুবিধাগুলি রয়েছে, তা উপরের বিবরণে দেওয়া আছে। এটি সঞ্চয়ের উপর ট্যাক্সের সুবিধা, নির্দিষ্ট কাজে প্রয়োজন এবং বৈধতার স্বীকৃতি দেওয়া সহ অনেক কাজে প্রয়োজন।

শেষ কথা

টিন সার্টিফিকেট একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা দেশের নাগরিকদের নির্দিষ্ট ইনকামের উপর কর প্রদানের জন্য প্রয়োজন। এটি নিয়মিত কর দিয়ে নাগরিকদের বৈধতা এবং সম্পর্কিত কাজে সুবিধা দেয়।

টিন সার্টিফিকেট অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন এবং সমস্ত নির্দিষ্ট কাজে এটি সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। সুতরাং, এই সার্টিফিকেট নিয়ে সঠিক পরিচय এবং সম্পর্কিত কাজে সুবিধার সাথে ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।

অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম ২০২৪: TIN Certificate Registration Online

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top